- সকল সদস্যকে চাঁদার অংশ বাবদ ১০০ টাকা (প্রতি মাসে) পরিশোধ করতে হবে। অর্থ সম্পাদকের বিকাশ/নগদ/রকেট নাম্বারে খরচ সহ কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হবে। সরাসরি টাকা দিতে পারবে, সে ক্ষেত্রে বার্তি ফি প্রযোজ্য নহে।
- দ্রুত বড় সঞ্চয় জমা করার লক্ষে চাঁদার মুল অংশের সাথে ১০ টাকা করে প্রতি মাসে বৃদ্ধি করা হবে।(অর্থাৎ ১ম মাসে ১০০টাকা, ২য় মাসে ১১০টাকা, ৩য় মাসে ১২০টাকা)
- সমিতির মেয়াদ হবে ৫ বছর। অবশ্য ৫ বছর পর সমিতি বিলুপ্ত করা হবে না। কোন সদস্য ৫ বছরের আগে নিজের ইচ্ছাই সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে না।
- প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে চাঁদার টাকা পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে টাকা জমা না দিলে ১০ টাকা জরিমানা করা হবে। পরপর দুই মাসের টাকা জমা না দিলে সদস্যপদ স্থগিত হয়ে যাবে, সদস্যপদ ফিরে পেতে চাইলে, বকেয়া দুই মাসের ফি ১০০+১০০ =২০০ ও ২০ টাকা জরিমান সহ চলতি মাসের ফি ১০০ অথ্যাৎ ৩২০ টাকা দিয়ে সদস্য পদ ফিরে পেতে পারবেন । অন্যথায় সাধারণ সদস্যের মতামত-এর ভিত্তিতে তার সদস্যপদ বাতিল করে, জমাকৃত টাকার ২৫% কর্তন করে অবশিষ্ট টাকা ৫ বছর পরে ফেরত দেয়া হবে। কেউ ইচ্ছা করলে ৫ বছর পর তার সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে।এক্ষেত্রে সে তার সম্পুর্ন অর্থ ফেরত পাবে।
- প্রতিমাসের ১৫ তারিখে সমিতির একাউন্ট স্টেটমেন্ট প্রত্যেকের ফোনে মেসেজ এবং ইমেইলে চলে যাবে।
- ইসলামি/স্থায়ী ব্যাংকে জয়েন্ট এ্যাকউন্টে সমিতির টাকা জমা রাখা হবে।
- প্রতিমাসে জমাকৃত টাকা একাউন্টে বসিয়ে না রেখে, হালাল যে কোন লাভজনক ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে হবে। বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লাভ পুনরায় বিনিয়োগ করা হবে, ফান্ড বড় করার জন্য।
- কোন একক সিদ্ধান্ত গ্রহনযোগ্য হবে না। সমিতির যে কোন সিদ্ধান্ত সাধারণ সদস্যেদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। যদি কেউ অনুপস্থিত থাকে কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
- সমিতির সদস্যপদ লাভ করতে হলে যা যা প্রয়োজনঃ
- জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি ও ছবি (১ কপি)।
- মোবাইল নম্বর ও ইমেইল আইডি।
- নমিনির জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
- সমিতির নীতিমালা সংশোধন ও সংযোজন, আর্থ সামাজিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাৎসরিক বনভোজন এর দিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সকল সদস্যের উপস্থিতিতে। বিশেষ প্রয়োজনে যেকোন সিদ্ধান্ত কমিটি নিতে পারবে তবে বাৎসরিক মিটিংএ তা জবাব দিহিতা করতে বাধ্য থাকিবে।